1. admin@dainikkhoborchitra.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে বিয়ের ৮মাসের মাথায় লাশ হলেন তরুণী নন্দিতা মোংলায় শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭২তম জন্ম বার্ষিকী পালিত মৃত্যু একদিনও ঘুমাতে দিল না কোটি টাকা দিয়ে তৈরি বাড়িতে,মুজিবুর রহমান কে রাজারহাট শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭২তম জন্ম বার্ষিকী পালিত- যশোর আরবপুরে করোনা রুগীর আত্মহত্যা কলারোয়ায় নতুন করে আরো ৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে মোংলায় মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল’র জন্মদিনে দোয়া মাহফিল কেশবপুরে বাল্যবিবাহ বন্ধ করলেন এ্যাসিল্যান্ড ইরুফা সুলতানা কেশবপুরে ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ জনকে জরিমানা করেছে কেশবপুরের গৌরীঘোনা ইউনিয়নে ভিজিএফ কার্ডের চাউল বিতরণ

কালের আবর্তে হারিয়ে গেছে কেরোসিন বাতি ও হারিকেন

দৈনিক খবরচিত্র ডেস্ক
  • সময় : মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১
  • ৬৭ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

আবুল হাশেম , রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধিঃ

এক সময় প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শহরাঞ্চলে ঘুটঘুটে কালো অন্ধকার নিবারণের প্রধান অনুষঙ্গ ছিল কুপিবাতি ও হারিকেন। সেই গ্রাম বাংলার কেরোসিন শিখার কুপিবাতি ও হারিকেনের দম্ভ ও অহংকার বিদ্যুতের ছোঁয়ায় আজ ভেঙ্গে চুরমার। এখন শুধুই স্মৃতি। কালের আবর্তে ইতিহাস ঐতিহ্যের স্রোতধারায় মরতে বসেছে ওই কুপিবাতি ও হারিকেন। আর এ শিল্পের সাথে জড়িত কারিগররাও এখন এ পেশা ছাড়তে শুরু করেছে। আধুনিকতার পদভারে বিজলি বাতির দাপটে বর্তমান সময়ে কেরোসিন যুগের বিলুপ্তিতে গ্রামীণ ঐতিহ্য কুপিবাতি ও হারিকেনের প্রয়োজন ফুরিয়ে এসেছে। এইতো কয়েক বছর আগের কথা সন্ধ্যা হলেই গ্রাম ও গ্রাম্য বাজারে কুপি ও হারিকেনের মিটিমিটি আলোয় চেনা যেত হাট-বাজারসহ গ্রামের সেই চিরচেনা রুপ। বর্তমানে পাল্টে যাওয়া এক সভ্যতায় বৈদ্যুতিক বাতির আলোর ঝলকানিতে কুপি বাতি ও হারিকেনের স্থান দখল করে নিয়েছে বাহারী বৈদ্যুতিক বাল্ব,সোলার, আইপিএস, চার্জার লাইট, টর্চ লাইট, মোবাইল লাইটসহ আরো কত কি। ফলে দশ গ্রামে আর চোখে পড়ে না গ্রামবাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী কেরোসিন শিখার এই নিদর্শটি। বর্তমানে এটি শুধুই স্মৃতি। এ যুগের গ্রাম গঞ্জের ছেলে মেয়েদের কাছে কুপিবাতি ও হারিকেনের স্মৃতি এখন রুপকথার গল্প। ইদানীং কালে গ্রামের দাদী তার নাতনিকে হারিকেন ও কুপিবাতির গল্প শোনাতেও লক্ষ করা গেছে। বর্তমানে এই নিদর্শনটির কদর অন্য কারো কাছে না থাকলেও প্রযুক্তির এই যুগেও রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পীরগাছা গ্রামের জেহের উদ্দিন এর বাড়িতে দেখা মেলে বাতির’। আজও তার বাড়িতে নেই বৈদ্যুতিক সংযোগ। তিন কন্যা সন্তানের জনক জেহের উদ্দিনের বাড়িতে রান্না,খাওয়া ও সন্তানদের লেখাপড়ার মত গুরুত্বপূর্ণ কাজটিও হচ্ছে কেরোসিন কুপিতে।

বর্তমানে গ্রামের অনেক নিম্নআয়ের সৌখিন
মানুষ সযত্নে বিভিন্ন রকমের কুপিবাতি ও হারিকেন শখের বসে সংরক্ষণ করেছেন নিদর্শন হিসেবে। তৎকালীন সময়ে ছোট বড় দু’ধরণের কুপিবাতির ব্যবহার ছিল। মাটি, লোহা, কাচ, টিন, পিতল আর বড় ছিল টিনের তৈরি ভুটুয়া। আবার গ্রামাঞ্চলে এই কুপিবাতি অনেকের নিকট ন্যাম্পো হিসেবে পরিচিত ছিল। ছোট ও বড় কুপিবাতি থেকে বেশি আলো পাওয়ার জন্য কাঠ,লোহা বা বাঁশের তৈরি স্ট্যান্ড ব্যবহার করা হতো। আর হারিকেনের আলো বেশী পেতে উচু জায়গায় বেধে ঝুলিয়ে রাখা হতো।
কিন্তুু বর্তমান সময়ে শতভাগ বিদ্যুৎতায়িত হওয়ায় আবহমান গ্রাম বাংলার আপামর জনসাধারণের অন্ধকারে আলো দেওয়া কুপিবাতি ও হারিকেন বিলুপ্তির পথে। আর নতুন প্রজন্মকে দেখতে হলে যেতে হবে জাদুঘরে।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর