1. admin@dainikkhoborchitra.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলারোয়া উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান হলেন যারা বৃষ্টি ভেজা রাত পুলিশের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কেশবপুরে টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক গ্রেফতার মাগে হিতে’র শিল্পী বাংলাদেশে এসে গান গাইতে চান কেশবপুরে স্কাউটসের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত গৌরীঘোনায় সরকারী পরিষেবায় দলিত জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্তি বিষয়ক এডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত কেশবপুরে দলিত জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নে ১০ দিন ব্যাপী হাউজ ওয়ারিং প্রশিক্ষণ শুরু কেশবপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত জমে উঠেছে দিঘলিয়া উপজেলার ইউ.পি.নির্বাচন মনিরামপুর ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামুলক সভা ও মাস্ক বিতারণ

কেশবপুরে শত শত বেত ও বাঁশের চারুশিল্পী পরিবারের মানবেতর জীবন যাপন

দৈনিক খবরচিত্র ডেস্ক
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৮ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রনি হোসেন, কেশবপুর

উপযুক্ত রক্ষনাবেক্ষন ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এবং প্লাস্টিক সামগ্রীর দাপটে বাজারে চারুশিল্পের চাহিদা দিন-দিন কমে যাওয়ার কারণে হারিয়ে যেতে বসেছে বেত ও বাাঁশের তৈরী চারুশিল্প।

ফলে কেশবপুরের প্রসিদ্ধ বাঁশশিল্পীরা তাদের ভাগ্যের উন্নয়ের জন্য বাপদাদার রেখে যাওয়া পেশা ছেড়ে বেছে নিচ্ছে অন্য পেশা । বেত ও বাাঁশের তৈরী জিনিসের প্রতি মানুষের দিন দিন আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। বেত ও বাঁশ শিল্পের সুনাম দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে রয়েছে । কিন্তু আধুনিক ও যান্ত্রিক যুগের সাথে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই দিনদিন চারুশিল্পের বিশ্বজোড়া খ্যাতি যশ ধীরে ধীরে স্থান হয়ে অলাভজনক শিল্পে পরিনত হয়ে যাচ্ছে।

যে কারণে চারুশিল্পীরা বাপদাদার রেখে যাওয়া পেশা ছেড়ে বেছে নিচ্ছে নতুন পেশা। যে পেশায় তারা একেবারে আনাড়ী। ফলে বেত ও বাঁশ শিল্পীরা এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে। উপজেলার সাগরদাঁড়ী, কোমরপোল, ভেরচী, শেখপুরা, গোপসেনা, ধর্মপুর, বালিয়াডাঙ্গা,দেউলি, শ্রীরামপুর ও খতিয়াখালি গ্রামের প্রায় এক হাজার পরিবার বেত ও বাঁশ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। যারা বাঁশ দিয়ে তৈরী চাটাই, কুলা,ঝুড়ি, ডালা, চালুন, খাঁচা, খারই, মোড়া, ডরি, পেলেসহ বিভিন্ন ধরনের টুকরি-সাজিসহ হরেক রকম দ্রব্য সামগ্রী তৈরী করে স্থানীয় বাজার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরেও বাজারজাত করত। কিন্তু বর্তমানে প্লাস্টিক সামগ্রীর দাপটে চারুশিল্পের চাহিদা প্রায় শেষ হয়ে গেছে।

এ পেশার সঙ্গে জড়িত মান্দার দাশ,সুকুমার দাশ,দুলাল দাশ,জালাল গাজী,সোহারাব,স্বপন দাশ, বিপুল দাশসহ কয়েক জনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ না থাকায় এবং বাজারে বাহারী প্লাস্টিক সামগ্রীর দাপটে চারুশিল্পের ভগ্ন দশা। তারা বলেন আমাদের খবর কেউ রাখেনা। চালিতা বাড়িয়ার পাচু বলেন আমাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর