1. admin@dainikkhoborchitra.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে বিয়ের ৮মাসের মাথায় লাশ হলেন তরুণী নন্দিতা মোংলায় শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭২তম জন্ম বার্ষিকী পালিত মৃত্যু একদিনও ঘুমাতে দিল না কোটি টাকা দিয়ে তৈরি বাড়িতে,মুজিবুর রহমান কে রাজারহাট শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭২তম জন্ম বার্ষিকী পালিত- যশোর আরবপুরে করোনা রুগীর আত্মহত্যা কলারোয়ায় নতুন করে আরো ৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে মোংলায় মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল’র জন্মদিনে দোয়া মাহফিল কেশবপুরে বাল্যবিবাহ বন্ধ করলেন এ্যাসিল্যান্ড ইরুফা সুলতানা কেশবপুরে ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ জনকে জরিমানা করেছে কেশবপুরের গৌরীঘোনা ইউনিয়নে ভিজিএফ কার্ডের চাউল বিতরণ

বিলুপ্তির পথে বাঙালির নিত্যসঙ্গী তালপাতার পাখা

দৈনিক খবরচিত্র ডেস্ক
  • সময় : রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৬৭ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

তালপাতার হাতপাখা আজ শুধু ঘাম আর গরম থেকে আত্মরক্ষার উপকরণই নয় বরং চিরায়ত গ্রামবাংলার কুটির শিল্পের অন্যতম অংশও বটে। গ্রীষ্মের ভ্যাপসা গরমে হাতপাখা তৈরি ও বিক্রি করে কেশবপুর উপজেলার গ্রামাঞ্চলের অনেক মানুষ জীবন জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।গরমে শরীরে শীতল হাওয়ার পরশ বুলিয়ে দেয় তালপাতার পাখার বাতাস।

বাঙালি গৃহস্থলীর অন্যতম একটি সামগ্রী তালপাতার পাখা। অপূর্ব শৌখিনতায় তৈরি হয় এই শিল্প কর্মটি। কিন্তু আধুনিক বাঙালির ঘরে এর উপস্থিতি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে।

গ্রীষ্মকালে লোডশেডিং হলে মা এর করা হাতপাখার বাতাস যেন স্বর্গীয় অনুভূতি। ইলেকট্রিক ফ্যান এলেও বাঙালির জীবনের অঙ্গ হয়ে গিয়েছিলো তালপাতার পাখা।গ্ৰীষ্মের প্রখর দাবদাহে এই ছিল আমাদের একমাত্র সঙ্গী।তবে আজকাল ফ্যান, এসি, প্যাস্টিকের তৈরি হাতপাখার ভিড়ে এই সবের ব্যবহার নেই বললেই চলে।

সাধারণত এই হাতপাখা তৈরি হয় দুই-তিন ধাপে। তালগাছের পাতা কেটে, জলে ডুবিয়ে জাঁক দিয়ে সেই পাতা সোজা করা হয়। এবার সেই পাতা সাইজ করে কেটে, ভালো করে বেঁধে, রং করে বাজারে ছাড়া হয়। নিপুন শিল্পকলায় এগুলো তৈরি করতেন শিল্পীরা। ছোটো বড় বিভিন্ন মেলায় এই পাখার কেনাবেচা হত। পাখার আকার এবং শৌখিনতার বিচারে ঠিক হত এর দাম।

বিভিন্ন ধরনের তালপাতার পাখা তৈরি করা হতো।এসব পাখার মধ্যে রয়েছে ডাটা পাখা, ঘুরকি পাখা, হরতন পাখা ও পকেট পাখাই বেশি তৈরি হতো। প্রতিটি পাখা পাইকারি ৮ টাকা থেকে শুরু করে ২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। তবে খুচরা বিক্রি হয় প্রকারভেদে ১৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত।চৈত্র মাস থেকেই শুরু হয় পাখা বিক্রির কাজ, আশ্বিন মাস পর্যন্ত তা বিক্রি হয়।

কেশবপুর উপজেলার জনতা ব্যাংকের নিচে হাতের তৈরি তালপাতার পাখা বিক্রি করেন সেলিনা বেগম। তিনি বলেন, ২০ বছর ধরে হাতের তৈরি তালপাখা বিক্রয় করে সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, এখন আর আগের মতো হাতপাখা বিক্রি হয় না, আয়ও অনেক কম হচ্ছে। ফলে সংসার খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এক সময় বাজার থেকে পাখা কিনে ঘরে এলে সেই পাখার ওপর চলতো ছোটদের কারুকার্য।শুধু গ্রাম নয়, শহরের বিভিন্ন পরিবারেও ব্যবহার হত এই তালপাতার পাখা। কালের নিয়মে আজ তা মধুর স্মৃতির পথে। এই শিল্পর সঙ্গে জড়িত গ্রামের মানুষ গুলোও হয়তো আজ সেরকম ভালো নেই! নেই তাদের অলি গলিতে গিয়ে হাতপাখা বিক্রি করা অথবা অনর্গল দাম কষাকষি।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর